এই পাতায়
কী কী রকমের গুহা আছে?
- সুড়ঙ্গ: মেরুদণ্ড। ২ থেকে ৯ মি চওড়া লম্বা আঁকাবাঁকা গ্যালারি, সমতল মেঝে, কাঁটা পথ, যেখানে মেলে সেখানে ৭ থেকে ১৬ মি চওড়া ঘর, মাটিতে খোলা প্রবেশপথ (সিংকহোল একটা খাড়া নামার ঢাল) আর গিরিখাত।
- আঁকাবাঁকা নল: ২.৫ থেকে ৪ মি পরিসরের গোল নল, যা সব কোণে উঠে আর নামে। এগুলোই জালের স্তরগুলোর মাঝের ঢাল আর শ্যাফট।
- গহ্বর: সমতল মেঝের ওপর ১০ থেকে ৬০ মি চওড়া হলঘর, ৪৫ থেকে ৯৫ মি নিচে, গম্বুজের ছাদ আর পাথরের থাম সহ। এগুলো শুধু দুর্লভ অঞ্চলে থাকে, ভূমির প্রায় দশ ভাগের এক ভাগে।
যেকোনো তরলের নিচে গুহা বন্ধ থাকে: গুহা আর হ্রদ বা সাগরের মাঝে পাথর থাকে, তাই জল ঢোকে না। বন্ধ গুহার ছাদের ওপর ৩ মি পাথর থাকে, খাড়া পাহাড়ের গায়ে কম, যেখানে একটা সুড়ঙ্গ ঢালে খুলে যেতে পারে।
গুহা কত গভীরে যায়?
- ২০০ মিভূপৃষ্ঠের নিচে যে পরিসরে গুহা থাকে
- 5সুড়ঙ্গের স্তর: ২০, ৩৮, ৬০, ৯০, ১৩৫ মি নিচে
- 160 মিসমুদ্রপৃষ্ঠ, তাই সৈকতের নিচে বেডরক ১৬০ মি-তে
| মাটির নিচে গভীরতা | কী পাবে |
|---|---|
| ২ থেকে ৪৮ মি | প্রায় প্রতিটা গুহার দেয়ালে কয়লা আর লোহার ছোট থলি (দেখো আকরিক কোথায় পাবে) |
| ১২ থেকে ৮০ মি | জলাধার: নুড়ি আর কাদার বিছানায় চুনাপাথরে ভূগর্ভস্থ জলের পুকুর |
| ২০ থেকে ১৬০ মি | জিওড: ক্যালসাইটের খোলস আর স্ফটিকের আস্তরের ফাঁপা গোলক |
| ২৫ থেকে ১২০ মি | শেলের ছাদের নিচে তেলের থলি (দেখো তেল কীভাবে খুঁজবে) |
| ৪৫ থেকে ৯৫ মি | গহ্বর |
| সমুদ্রপৃষ্ঠের ৬৮ মি নিচ থেকে | গভীর গুহা: ব্যাসল্ট, ম্যাগমার পাথর, জ্বলন্ত স্ফটিক |
| প্লাবিত অঞ্চল | কিছু গুহা-অঞ্চল প্লাবিত। প্লাবনের স্তর ৯৪ মি উচ্চতার নিচে হলে প্লাবনটা লাভার (চারে তিনবার), নইলে জলের |
| ভূপৃষ্ঠের অন্তত ৪০ মি নিচে | লাভার হ্রদ: গম্বুজাকার কুঠুরি, যার লাভার মেঝে বেডরকের ৬ থেকে ৩০ মি ওপরে |
গুহা দেখতে কেমন?
- চুনাপাথরের ফোঁটার গুহা, সবচেয়ে সাধারণ: ক্যালসাইটের ঝুলন্ত স্তম্ভ, তাদের নিচে উঠন্ত স্তম্ভ, যেখানে মেলে সেখানে থাম, নুড়ি আর কাদার মেঝে। গরম মরুভূমির নিচে সল্টপিটারের আস্তর।
- আর্দ্র ও মৃদু ভূমির নিচে সবুজ গুহা: শ্যাওলার গালিচা, লতার পর্দা, জ্বলন্ত মাশরুম।
- ঠান্ডা ভূমির নিচে জমাট গুহা, ভূপৃষ্ঠের ৪০ মি-র মধ্যে: বরফের মেঝে আর জমাট বরফের শিশির-কাঁটা।
- সমুদ্রপৃষ্ঠের ৬৮ মি নিচ থেকে গভীর গুহা: ম্যাগমার পাথরের শিরাওয়ালা ব্যাসল্টের মেঝে, আর জ্বলন্ত স্ফটিকের গুচ্ছ।
- সবখানে, মাঝে মাঝে, একটা একলা স্ফটিক।
ওখানে কী বিপজ্জনক?
- প্রাণী। দানবদের জন্য গুহায় দিনের যেকোনো সময় রাত। বাদুড়, মাকড়সা আর গোলেম সেখানে থাকে, আর ম্যাগমা গোলেম লাভার কাছে আস্তানা গাড়ে। দেখো রাতের দানব।
- লাভা। প্রতি আঘাতে ১৫ পয়েন্ট ক্ষতি, মরতে প্রায় ৩ সে। লাভার উৎসের ওপর জল ওবসিডিয়ান বানায়, বয়ে চলা লাভার ওপর পাথর, তাই এক বালতি জল ভালো সঙ্গী (দেখো তরল ও বালতি)।
- পড়া। ৩.৫ মি পতনে কখনো ব্যথা লাগে না। তার পর বাড়তি প্রতি মিটারে ৬ পয়েন্ট; প্রায় ২০ মি-তে মৃত্যু।
- ডুবে যাওয়া। প্লাবিত গুহায় তোমার বাতাস 20 সে, তারপর প্রতি সেকেন্ডে 8 পয়েন্ট স্বাস্থ্য।
চাঁদের কী খবর?
চাঁদের নিজস্ব ভূগর্ভ আছে: বড় গর্তগুলোর ভেতরের জগতের ১৮ থেকে ৪৪ মি নিচে খিলানওয়ালা হলঘর, গর্তের তলা থেকে নেমে যাওয়া শ্যাফট, ফাটল, ঝুলন্ত পাথর, আর লাভা-সুড়ঙ্গ। নিচে চান্দ্র শ্যাওলা, গোধূলি-পাতার পর্দা আর স্ফটিক ও কোয়ার্টজের শঙ্কু জন্মায়; মেরুর গুহা বরফে ভরা, আর লোহা, ইলমেনাইট ও উল্কার লোহার আস্তর দেয়ালে লেগে থাকে (দেখো আকরিক কোথায় পাবে)।
প্রশ্ন
গুহা কীভাবে খুঁজব?
মাটিতে প্রবেশপথ, সিংকহোল আর গিরিখাত খোঁজো, বা নিচে খুঁড়ো: সুড়ঙ্গ মাটির ২০, ৩৮, ৬০, ৯০ আর ১৩৫ মি নিচে।
কত গভীর খুঁড়তে পারি?
বেডরক পর্যন্ত, উচ্চতা ০-তে, যা সৈকতের ১৬০ মি নিচে আর চূড়ার নিচে ৩০০ মি পর্যন্ত। গুহা শুধু ভূপৃষ্ঠের নিচের ২০০ মি-তে থাকে।
মাটির নিচে কি সবসময় আলো থাকে?
না। মশাল পথ আলো করে, আর লাভা, জ্বলন্ত মাশরুম ও স্ফটিক নিজেরাই আলো দেয়।
গুহা কি প্লাবিত হয়?
কিছু অঞ্চল প্লাবিত, জলে, কিংবা প্লাবনের স্তর ৯৪ মি উচ্চতার নিচে হলে লাভায়। অন্য জায়গায় পাথর প্রতিটি গুহাকে হ্রদ আর সাগর থেকে বন্ধ রাখে।
হালনাগাদ